ট্রাফিকে Coinvote #১

ক্রিপ্টো গ্লসারি

ক্রিপ্টো টোকেন খুঁজে বের করা, কেনা ও ধরে রাখার সময় যেসব শব্দের মুখোমুখি হন, সেগুলোর সহজ ভাষায় সংজ্ঞা এবং কোনো প্রজেক্টকে বিশ্বাস করার আগে কী যাচাই করবেন।

মৌলিক বিষয়

ব্লকচেইন (Blockchain)
ব্লকচেইন হলো লিংক করা ব্লকে সাজানো ট্রানজ্যাকশনের একটি শেয়ার্ড লেজার, যা অনেক স্বাধীন কম্পিউটার যাচাই করে, তাই পুরোনো রেকর্ড বদলানো কঠিন।
ক্রিপ্টোকারেন্সি (Cryptocurrency)
ক্রিপ্টোকারেন্সি হলো ব্লকচেইনে রেকর্ড করা একটি ডিজিটাল অ্যাসেট, যা প্রাইভেট কি দিয়ে রাখা হয় এবং মাঝে কোনো ব্যাংক ছাড়াই ওয়ালেটে ওয়ালেটে পাঠানো যায়।
টোকেন (Token)
টোকেন হলো বিদ্যমান ব্লকচেইনে স্মার্ট কন্ট্রাক্ট দিয়ে তৈরি ডিজিটাল অ্যাসেট। কয়েন থেকে আলাদা, কারণ কয়েন হলো নিজস্ব চেইনের নেটিভ কারেন্সি।
অল্টকয়েন (Altcoin)
অল্টকয়েন হলো বিটকয়েন ছাড়া যেকোনো ক্রিপ্টোকারেন্সি, Ethereum-এর মতো বড় নেটওয়ার্ক থেকে শুরু করে গতকাল কেউ একজন লঞ্চ করা টোকেন পর্যন্ত।
স্টেবলকয়েন (Stablecoin)
স্টেবলকয়েনের মূল্য স্থির রাখার লক্ষ্য থাকে, সাধারণত ১ মার্কিন ডলার, যাতে বড় ওঠানামা ছাড়াই ফান্ড রাখা বা অন্য টোকেনের দাম নির্ধারণ করা যায়।
ক্রিপ্টো ওয়ালেট (Crypto wallet)
ক্রিপ্টো ওয়ালেট সেই প্রাইভেট কি রাখে যা দিয়ে আপনি ট্রানজ্যাকশন সাইন করেন ও ব্লকচেইনে টোকেন নিয়ন্ত্রণ করেন। কয়েন নিজে অন-চেইনেই থাকে।
প্রাইভেট কী (Private key)
প্রাইভেট কী হলো গোপন সংখ্যা, যা ক্রিপ্টো অ্যাড্রেসের ওপর আপনার নিয়ন্ত্রণ প্রমাণ করে এবং লেনদেনে সাইন করে। এটি যার কাছে, ফান্ডের নিয়ন্ত্রণ তার।
সিড ফ্রেজ (Seed phrase)
সিড ফ্রেজ হলো ১২ থেকে ২৪ শব্দের ব্যাকআপ, যা দিয়ে সামঞ্জস্যপূর্ণ ওয়ালেটে এর থেকে তৈরি প্রাইভেট কী ও অ্যাকাউন্টগুলো পুনরুদ্ধার করা যায়।
হট ওয়ালেট (Hot wallet)
হট ওয়ালেট হলো এমন ক্রিপ্টো ওয়ালেট, যার প্রাইভেট কি ফোন অ্যাপ বা ব্রাউজার এক্সটেনশনের মতো ইন্টারনেটে সংযুক্ত ডিভাইস থেকে ব্যবহার করা যায়।
কোল্ড ওয়ালেট (Cold wallet)
কোল্ড ওয়ালেট আপনার প্রাইভেট কি অফলাইনে রাখে, সাধারণত হার্ডওয়্যার ডিভাইস বা কাগজের ব্যাকআপে, তাই ট্রানজ্যাকশন সাইন হয় ইন্টারনেট থেকে দূরে।
গ্যাস ফি (Gas fee)
গ্যাস ফি হলো ব্লকচেইনের নিজস্ব কয়েনে দেওয়া ফি, যার বিনিময়ে নেটওয়ার্কের ভ্যালিডেটররা আপনার ট্রানজ্যাকশন প্রসেস ও রেকর্ড করে।
স্মার্ট কন্ট্রাক্ট (Smart contract)
স্মার্ট কন্ট্রাক্ট হলো ব্লকচেইনে রাখা একটি প্রোগ্রাম, যা ডাকলে ঠিক লেখা অনুযায়ী চলে, ফান্ড ধরে রাখে এবং মধ্যস্থতাকারী ছাড়াই নিয়ম প্রয়োগ করে।
dApp
dApp-এর মূল লজিক ব্লকচেইনের smart contract-এ চলে। কোম্পানির সার্ভারে অ্যাকাউন্ট খোলার বদলে ব্যবহারকারী wallet দিয়ে যুক্ত হন।
Web3
Web3 বলতে সাধারণত public blockchain ও smart contract-ভিত্তিক অ্যাপ বোঝায়, যেখানে সাধারণ সার্ভারও থাকতে পারে এবং login-এর বদলে wallet ব্যবহৃত হয়।
মেইননেট (Mainnet)
মেইননেট হলো ব্লকচেইনের চালু মূল নেটওয়ার্ক, যেখানে testnet-এর বিপরীতে আসল coin দিয়ে fee দিতে হয় এবং token-এর বাস্তব মূল্য থাকে।
টেস্টনেট (Testnet)
টেস্টনেট হলো ব্লকচেইনের আলাদা পরীক্ষামূলক সংস্করণ, যেখানে বাস্তব মূল্যহীন token দিয়ে developer-রা কোড deploy ও পরীক্ষা করেন।
ব্লক এক্সপ্লোরার (Block explorer)
ব্লক এক্সপ্লোরার হলো একটি ওয়েবসাইট যেখানে ব্লকচেইনের পাবলিক ডেটা খোঁজা যায়: ট্রানজ্যাকশন, ওয়ালেট ব্যালান্স, টোকেন ট্রান্সফার ও স্মার্ট কন্ট্র্যাক্ট।
মার্কেট ক্যাপ (Market cap)
মার্কেট ক্যাপ হলো টোকেনের দাম ও সার্কুলেটিং সাপ্লাইয়ের গুণফল। এটি আপেক্ষিক আকারের দ্রুত মাপকাঠি, কিন্তু প্রকৃত লিকুইডিটি সম্পর্কে প্রায় কিছুই বলে না।
ফুললি ডাইলিউটেড ভ্যালুয়েশন (Fully diluted valuation, FDV)
ফুললি ডাইলিউটেড ভ্যালুয়েশন (FDV) হলো টোকেনের দাম × ম্যাক্স সাপ্লাই: ভবিষ্যতে যত টোকেন থাকবে সবই সার্কুলেশনে এলে প্রজেক্টের মূল্য কত হতো।
সার্কুলেটিং সাপ্লাই (Circulating supply)
সার্কুলেটিং সাপ্লাই হলো কোনো টোকেনের যত ইউনিট জনসাধারণের হাতে আছে ও ট্রেডযোগ্য; লকড, আনভেস্টেড, রিজার্ভ বা বার্ন করা টোকেন এতে ধরা হয় না।
টোটাল সাপ্লাই (Total supply)
টোটাল সাপ্লাই হলো বর্তমানে বিদ্যমান সব টোকেন—লক করা ও টিমের হাতে থাকা টোকেনসহ, তবে বার্ন করা টোকেন বাদে। এটি circulating বা max supply নয়।
ম্যাক্স সাপ্লাই (Max supply)
ম্যাক্স সাপ্লাই হলো কোনো কয়েন বা টোকেনের সর্বোচ্চ সম্ভাব্য সংখ্যা, যা প্রোটোকলের নিয়ম বা টোকেনের স্মার্ট কনট্র্যাক্টে নির্ধারিত থাকে।

ট্রেডিং

DEX
DEX (decentralized exchange)-এ স্মার্ট কনট্র্যাক্টের মাধ্যমে নিজের ওয়ালেট থেকেই টোকেন সোয়াপ করা যায়; ট্রেডের সময় ফান্ডের নিয়ন্ত্রণ আপনার কাছেই থাকে।
CEX (সেন্ট্রালাইজড এক্সচেঞ্জ)
CEX হলো একটি কোম্পানি পরিচালিত সেন্ট্রালাইজড ক্রিপ্টো এক্সচেঞ্জ, যা আপনার ফান্ড রাখে, অর্ডার মেলায় এবং লিস্টিং, অ্যাকাউন্ট ও KYC সামলায়।
লিকুইডিটি পুল (Liquidity pool)
লিকুইডিটি পুল হলো দুটি টোকেন ধারণকারী স্মার্ট কন্ট্রাক্ট, যার বিপরীতে ট্রেডাররা সরাসরি সোয়াপ করেন। দাম নির্ধারিত হয় রিজার্ভের অনুপাতে।
স্লিপেজ (Slippage)
স্লিপেজ হলো ট্রেডের কোটেড দাম আর প্রকৃত এক্সিকিউশন দামের পার্থক্য, যা কোট ও এক্সিকিউশনের মাঝে দামের নড়াচড়ার কারণে হয়।
লিমিট অর্ডার (Limit order)
লিমিট অর্ডার আপনার ঠিক করা দামে বা তার চেয়ে ভালো দামে কেনাবেচা করে এবং বাজার সেই দামে পৌঁছানো পর্যন্ত অপেক্ষা করে। ফিল নিশ্চিত নয়।
বিড-আস্ক স্প্রেড (Bid-ask spread)
বিড-আস্ক স্প্রেড হলো একটি ভেন্যুতে কোনো পেয়ারের সেরা কেনার অফার ও সেরা বিক্রির অফারের ফারাক, মার্কেটে ট্রেড করার একটি অন্তর্নিহিত খরচ।
ট্রেডিং ভলিউম (Trading volume)
ট্রেডিং ভলিউম হলো নির্দিষ্ট সময়ে, সাধারণত ২৪ ঘণ্টায়, কোনো টোকেনের মোট লেনদেনমূল্য। এটি ট্রেডের সক্রিয়তা বোঝায়, কত সহজে বিক্রি করা যাবে তা নয়।
অল-টাইম হাই (ATH)
অল-টাইম হাই (ATH) হলো ট্রেডিং শুরুর পর থেকে কোনো টোকেনের সর্বোচ্চ দাম; এটি একটি রেফারেন্স পয়েন্ট, কোনো ভবিষ্যদ্বাণী নয়।
FOMO
FOMO বা সুযোগ হাতছাড়া হওয়ার ভয় হলো পিছিয়ে পড়ার আশঙ্কায় দ্রুত দাম বাড়তে থাকা টোকেন কেনার তাগিদ, যা প্রায়ই ভুল সময়ে এন্ট্রি নিতে বাধ্য করে।
FUD
FUD-এর পূর্ণরূপ fear, uncertainty, and doubt: সত্য বা মিথ্যা এমন নেতিবাচক দাবি, যা মানুষকে টোকেন বিক্রি করতে বা এড়িয়ে চলতে প্ররোচিত করে।
HODL
HODL ক্রিপ্টো স্ল্যাং: দামের ওঠানামার মধ্যেও টোকেন বিক্রি না করে ধরে রাখা। ২০১৩ সালের এক ফোরাম টাইপো থেকে শব্দটির জন্ম, এখন মানে কিনে রেখে দেওয়া।
হোয়েল (Whale)
হোয়েল (Whale) এমন ওয়ালেট, যার কেনা-বেচা টোকেনের দাম দৃশ্যমানভাবে নাড়াতে পারে, বিশেষ করে ছোট ও কম লেনদেনের মার্কেটে।
পাম্প অ্যান্ড ডাম্প (Pump and dump)
পাম্প অ্যান্ড ডাম্প হলো সমন্বিত কেনা ও হাইপ দিয়ে দাম ফুলিয়ে তারপর সেই চাহিদায় বিক্রি করার স্কিম; দেরিতে কেনা ক্রেতারা লোকসানে পড়ে।
বুল মার্কেট (Bull market)
বুল মার্কেট হলো দাম বাড়া ও আশাবাদ বাড়ার দীর্ঘ সময়, যা একটি টোকেন, একটি সেক্টর বা পুরো ক্রিপ্টো মার্কেটের ক্ষেত্রে বলা হয়।
বিয়ার মার্কেট (Bear market)
বিয়ার মার্কেট হলো দাম পড়া ও দুর্বল সেন্টিমেন্টের দীর্ঘ সময়, সাধারণত সাম্প্রতিক শীর্ষ থেকে 20% বা তার বেশি পতন হিসেবে সংজ্ঞায়িত।
ভোলাটিলিটি (Volatility)
ভোলাটিলিটি বোঝায় টোকেনের দাম কতটা ও কত দ্রুত ওঠানামা করে। ভোলাটিলিটি বেশি হলে দাম বড় ব্যবধানে ওঠে-নামে, তাই লাভ-ক্ষতিও দ্রুত হয়।
ডলার-কস্ট অ্যাভারেজিং (Dollar-cost averaging)
ডলার-কস্ট অ্যাভারেজিং (DCA) হলো দাম যাই হোক, নিয়মিত বিরতিতে নির্দিষ্ট ডলার মূল্যের অ্যাসেট কেনা, যাতে একবারে ঢোকার বদলে কেনার সময় ছড়িয়ে যায়।
স্টপ-লস (Stop-loss)
স্টপ-লস হলো আগে থেকে সেট করা অর্ডার, যা দাম নির্ধারিত স্তরে নামলে পজিশন বিক্রি করে, যাতে একটি ট্রেডের ক্ষতি সীমিত রাখা যায়।
লিভারেজ (Leverage)
লিভারেজ হলো ধার বা মার্জিনের মাধ্যমে নিজের মূলধনের চেয়ে বড় পজিশনে ট্রেড করা, যা লাভ ও লোকসান দুটোকেই বাড়িয়ে দেয়।
লিকুইডেশন (Liquidation)
লিকুইডেশন হলো লিভারেজড পজিশনের কোল্যাটারাল লোকসানে শেষ হয়ে গেলে এক্সচেঞ্জ বা লেন্ডিং প্রোটোকল কর্তৃক পজিশন জোর করে বন্ধ করে দেওয়া।
শর্ট সেলিং (Short selling)
শর্ট সেলিং হলো টোকেনের দাম কমবে এই বাজি: ধার করে এখনই বিক্রি করা, পরে কিনে ফেরত দেওয়া; দাম কমলে লাভ হয়।
আরবিট্রাজ (Arbitrage)
আরবিট্রাজ হলো একই অ্যাসেটের বিভিন্ন মার্কেটে দামের পার্থক্য থেকে লাভ করা: যেখানে সস্তা সেখানে কেনা, যেখানে দামি সেখানে বিক্রি।
স্নাইপার বট (Sniper bot)
স্নাইপার বট এমন স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যার, যা নতুন টোকেনের ট্রেডিং শুরু হওয়ামাত্র সাধারণ ট্রেডারদের আগে সেটি কেনার চেষ্টা করে।
MEV (Maximal extractable value)
MEV হলো ব্লকের ট্রানজ্যাকশন সাজিয়ে, ঢুকিয়ে বা আটকে ব্লক প্রডিউসার ও বটের তুলে নেওয়া লাভ, যা প্রায়ই ট্রেডারদের ক্ষতির বিনিময়ে আসে।

DeFi

DeFi (Decentralized finance)
DeFi হলো এক্সচেঞ্জ, লেন্ডিং ও ডেরিভেটিভসের মতো আর্থিক অ্যাপ, যা ব্যাংক বা ব্রোকারের বদলে স্মার্ট কন্ট্রাক্টে চলে।
অটোমেটেড মার্কেট মেকার (AMM)
অটোমেটেড মার্কেট মেকার (AMM) হলো একটি স্মার্ট কন্ট্র্যাক্ট যা ফর্মুলা দিয়ে পুল থেকে টোকেনের দাম ঠিক করে সোয়াপ করে, অর্ডার বুক বা কাউন্টারপার্টি লাগে না।
ইম্পারমানেন্ট লস (Impermanent loss)
পুলের টোকেনের দামের অনুপাত বদলালে লিকুইডিটি প্রোভাইডার যে মূল্য হারায়, একই টোকেন ওয়ালেটে রেখে দিলে যা পেত তার তুলনায়, সেটাই ইম্পারমানেন্ট লস।
ইয়িল্ড ফার্মিং (Yield farming)
ইয়িল্ড ফার্মিং মানে DeFi প্রোটোকলে ক্রিপ্টো জমা রেখে ফি, সুদ বা রিওয়ার্ড টোকেন আয় করা, বিনিময়ে স্মার্ট কন্ট্রাক্ট ও দামের ঝুঁকি নেওয়া।
স্টেকিং (Staking)
স্টেকিং মানে নেটওয়ার্ক সুরক্ষিত করতে বা রিওয়ার্ড পেতে ক্রিপ্টো লক করে রাখা, সাধারণত লক-আপ সময়সহ এবং দামের ওঠানামার বাইরেও ঝুঁকি থাকে।
লিকুইড স্টেকিং (Liquid staking)
লিকুইড স্টেকিংয়ে প্রুফ-অফ-স্টেক কয়েন স্টেক করে ট্রেডযোগ্য একটি রিসিপ্ট টোকেন পাওয়া যায়, ফলে স্টেক করা ফান্ড DeFi-তেও কাজে লাগানো যায়।
APY (বার্ষিক চক্রবৃদ্ধি রিটার্ন)
APY হলো চক্রবৃদ্ধিসহ আমানতের বার্ষিক রিটার্ন, যেখানে আয় পুনর্বিনিয়োগ ধরা হয়; APR হলো চক্রবৃদ্ধি ছাড়া সরল বার্ষিক হার।
TVL
TVL (total value locked) হলো DeFi প্রোটোকলের smart contract-এ জমা সব ক্রিপ্টোর ডলারমূল্য; এটি আকার ও লিকুইডিটির মোটামুটি সূচক।
লেন্ডিং প্রোটোকল (Lending protocol)
লেন্ডিং প্রোটোকল হলো smart contract-এর সমষ্টি, যেখানে ব্যাংক বা ক্রেডিট যাচাই ছাড়াই ক্রিপ্টো ধার দিয়ে সুদ আয় বা জামানতের বিপরীতে ঋণ নেওয়া যায়।
ফ্ল্যাশ লোন (Flash loan)
ফ্ল্যাশ লোন হলো জামানতবিহীন DeFi ঋণ, যা একই transaction-এর মধ্যে নিয়ে ফেরত দিতে হয়; না হলে পুরো transaction বাতিল হয়ে যায়।
অরাকল (Oracle)
অরাকল বাইরের ডেটা, সাধারণত অ্যাসেটের দাম, ব্লকচেইনে পৌঁছে দেয় যাতে স্মার্ট কন্ট্রাক্ট তা ব্যবহার করতে পারে। দুর্বল অরাকলে বাস্তব ক্ষতি হয়।
গভর্নেন্স টোকেন (Governance token)
গভর্নেন্স টোকেন হোল্ডারদের প্রোটোকলের সিদ্ধান্তে ভোট দেওয়ার ক্ষমতা দেয়, যেমন ফি পরিবর্তন, ট্রেজারির খরচ ও কন্ট্রাক্ট আপগ্রেড।
DAO
DAO হলো এমন একটি গোষ্ঠী যা স্মার্ট কন্ট্রাক্ট ও টোকেন হোল্ডারদের ভোটের মাধ্যমে ফান্ড বা প্রোটোকল চালায়। ভরসার আগে কী দেখবেন, জানুন।
র‍্যাপড টোকেন (Wrapped token)
র‍্যাপড টোকেন অন্য অ্যাসেটের বিপরীতে, সাধারণত ১:১ অনুপাতে ইস্যু করা টোকেন, যাতে সেই অ্যাসেট অন্য ফরম্যাটে বা অন্য ব্লকচেইনে চলে।
ক্রস-চেইন ব্রিজ (Cross-chain bridge)
ক্রস-চেইন ব্রিজ এক চেইনে টোকেন লক বা পুলে রেখে অন্য চেইনে সমপরিমাণ টোকেন রিলিজ করে ব্লকচেইনগুলোর মধ্যে ভ্যালু সরায়।
লিকুইডিটি প্রোভাইডার (Liquidity provider)
লিকুইডিটি প্রোভাইডার DEX পুলে টোকেন জমা দেন, যাতে অন্যরা ট্রেড করতে পারেন। বিনিময়ে তিনি swap fee-এর একটি অংশ পান।
পারপেচুয়াল ফিউচারস (Perpetual futures)
Perpetual futures হলো মেয়াদহীন leveraged contract, যা ক্রিপ্টোর দাম অনুসরণ করে। নিয়মিত funding payment দামকে spot-এর কাছাকাছি রাখে।

নিরাপত্তা ও স্ক্যাম

হানিপট (Honeypot)
হানিপট এমন টোকেন, যার contract কিনতে দেয় কিন্তু বিক্রি আটকে দেয় বা কার্যত অসম্ভব করে। হোল্ডাররা আটকে থাকেন, আর deployer টাকা তুলে নেন।
Rug pull
Rug pull হলো নির্মাতারা লিকুইডিটি তুলে নেওয়া বা লুকানো সাপ্লাই বিক্রি করে দেওয়া, ফলে ক্রেতাদের টোকেন আর বিক্রি করা যায় না।
Liquidity lock
Liquidity lock টোকেনের DEX পুলের শেয়ার একটি টাইম-লক কন্ট্রাক্টে আটকে রাখে, ফলে লক শেষ হওয়ার আগে নির্মাতা পেয়ার করা ফান্ড তুলতে পারে না।
Token tax
Token tax হলো টোকেনের কন্ট্রাক্টে কোড করা ফি, যা প্রতিটি buy, sell বা transfer থেকে একটি শতাংশ কেটে নির্দিষ্ট ওয়ালেট বা মেকানিজমে পাঠায়।
Renounced ownership
Renounced ownership মানে টোকেন কন্ট্রাক্টের owner ভূমিকা ছেড়ে দেওয়া, সাধারণত zero address-এ সেট করা, ফলে owner-only ফাংশন আর কল করা যায় না।
প্রক্সি কন্ট্রাক্ট (Proxy contract)
প্রক্সি কন্ট্রাক্ট কলগুলো আলাদা লজিক কন্ট্রাক্টে পাঠায়, ফলে ডেভেলপাররা টোকেনের অ্যাড্রেস না বদলিয়েই পরে কোড বদলাতে পারেন।
মিন্ট ফাংশন (Mint function)
মিন্ট ফাংশন টোকেন কন্ট্রাক্টে নতুন টোকেন তৈরি করে; বিশেষ অনুমতিপ্রাপ্ত ওয়ালেট এটি অবাধে কল করতে পারলে ইচ্ছেমতো সাপ্লাই বাড়ানো যায়।
স্মার্ট কন্ট্রাক্ট অডিট (Smart contract audit)
স্মার্ট কন্ট্রাক্ট অডিটে স্বাধীন বিশেষজ্ঞরা প্রজেক্টের কন্ট্রাক্ট কোডে বাগ, আক্রমণের সুযোগ ও ঝুঁকিপূর্ণ অ্যাডমিন ক্ষমতা খুঁজে দেখেন।
KYC (Know your customer)
KYC হলো নিয়ন্ত্রিত ক্রিপ্টো সেবায় পরিচয় যাচাই; টোকেন প্রজেক্টে এর অর্থ তৃতীয় পক্ষের কাছে টিমের পরিচয় যাচাইও হতে পারে।
ফিশিং (Phishing)
ফিশিং হলো ভুয়া সাইট, মেসেজ বা সাপোর্ট এজেন্টের মাধ্যমে seed phrase হাতিয়ে নেওয়া বা ক্ষতিকর ট্রানজ্যাকশনে সাইন করানোর প্রতারণা।
টোকেন অ্যাপ্রুভাল (Token approval)
Token approval হলো স্মার্ট কন্ট্রাক্টকে আপনার ওয়ালেট থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণ টোকেন সরানোর অনুমতি দেওয়া, যা সাধারণত swap বা ডিপোজিটের আগে লাগে।
ব্ল্যাকলিস্ট ফাংশন (Blacklist function)
Blacklist function হলো টোকেন কন্ট্রাক্টের এমন কোড, যা দিয়ে owner নির্দিষ্ট ওয়ালেটকে টোকেন ট্রান্সফার বা বিক্রি করা থেকে আটকে দিতে পারে।
ওয়ালেট ড্রেইনার (Wallet drainer)
Wallet drainer হলো ক্ষতিকর কোড, সাধারণত ভুয়া সাইটের পেছনে থাকে, যা আপনাকে ট্রানজ্যাকশন বা approval সাইন করিয়ে ওয়ালেট খালি করে দেয়।
ডাস্টিং অ্যাটাক (Dusting attack)
ডাস্টিং অ্যাটাকে মালিকদের ট্র্যাক করতে বা স্ক্যামে ফাঁসাতে অনেক ওয়ালেটে অতি সামান্য ক্রিপ্টো বা অবাঞ্ছিত টোকেন পাঠানো হয়।
মাল্টিসিগ (Multisig)
মাল্টিসিগ এমন ওয়ালেট, যেখানে একটি প্রাইভেট কী নয়, ট্রানজ্যাকশন অনুমোদনে একাধিক আলাদা কী লাগে—যেমন ৫ জন সাইনারের মধ্যে ৩ জনের।
অ্যান্টি-হোয়েল (Anti-whale)
অ্যান্টি-হোয়েল হলো টোকেন কন্ট্র্যাক্টে ওয়ালেট বা ট্রানজ্যাকশনের সীমা, যাতে একজন ক্রেতা অতিরিক্ত টোকেন জমাতে বা ডাম্প করতে না পারেন।

টোকেন ও লঞ্চ

মিম কয়েন (Meme coin)
মিম কয়েন এমন টোকেন, যার মূল চালিকা শক্তি কোনো পণ্য বা নগদ প্রবাহ নয়, বরং ইন্টারনেটের কৌতুক, ম্যাসকট বা কমিউনিটির সংস্কৃতি।
ইউটিলিটি টোকেন (Utility token)
ইউটিলিটি টোকেন এমন ক্রিপ্টো টোকেন, যা কোনো প্রোডাক্ট বা নেটওয়ার্কের ভেতরে ব্যবহারের জন্য তৈরি, যেমন ফি দেওয়া, ফিচার অ্যাক্সেস করা বা ভোট দেওয়া।
প্রিসেল (Presale)
প্রিসেল হলো এমন রাউন্ড, যেখানে প্রজেক্ট কোনো এক্সচেঞ্জে পাবলিক ট্রেডিং শুরুর আগে সাধারণত নির্দিষ্ট দামে আর্লি ক্রেতাদের কাছে টোকেন বিক্রি করে।
ICO
ICO বা ইনিশিয়াল কয়েন অফারিং হলো পাবলিক টোকেন সেল, যেখানে প্রজেক্ট নতুন টোকেন সরাসরি ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করে অর্থ সংগ্রহ করে।
IDO
IDO বা ইনিশিয়াল DEX অফারিং হলো ডিসেন্ট্রালাইজড লঞ্চপ্যাডের মাধ্যমে টোকেন সেল, যার পরপরই DEX-এ ট্রেডিং শুরু হয়।
ফেয়ার লঞ্চ (Fair launch)
ফেয়ার লঞ্চে সবার জন্য একই সময়ে একই শর্তে টোকেন ছাড়া হয়; ট্রেডিং শুরুর আগে প্রিসেল, প্রাইভেট রাউন্ড বা টিমের বরাদ্দ থাকে না।
এয়ারড্রপ (Airdrop)
এয়ারড্রপ হলো ওয়ালেটে বিনামূল্যে টোকেন বিতরণ, সাধারণত শুরুর ব্যবহারকারীদের পুরস্কার দিতে, কমিউনিটি গড়তে বা মালিকানা ছড়িয়ে দিতে।
ভেস্টিং (Vesting)
ভেস্টিংয়ে টিম, বিনিয়োগকারী বা প্রিসেল ক্রেতাদের বরাদ্দ টোকেন লক থাকে এবং একসঙ্গে না ছেড়ে সময়ের সঙ্গে ধাপে ধাপে ছাড়া হয়।
টোকেন বার্ন (Token burn)
টোকেন বার্নে টোকেন স্থায়ীভাবে সরিয়ে সাপ্লাই কমানো হয়, সাধারণত এমন অ্যাড্রেসে পাঠিয়ে যেখান থেকে কেউ তা খরচ করতে পারে না।
টোকেনোমিক্স (Tokenomics)
টোকেনোমিক্স হলো টোকেনের অর্থনৈতিক কাঠামো: সরবরাহ কতটা, কার কাছে কত, নতুন টোকেন কীভাবে বাজারে আসে এবং চাহিদা কী চালায়।
হোয়াইটলিস্ট (Whitelist)
হোয়াইটলিস্ট হলো অনুমোদিত ওয়ালেট অ্যাড্রেসের তালিকা, যারা প্রিসেলে আগে কেনা বা NFT আগে মিন্ট করার মতো সুবিধা পায়, অন্যরা পায় না।
লঞ্চপ্যাড (Launchpad)
লঞ্চপ্যাড এমন প্ল্যাটফর্ম, যা নতুন ক্রিপ্টো প্রজেক্টকে তহবিল সংগ্রহ ও টোকেন বিতরণে সাহায্য করে, সাধারণত ট্রেডিং শুরুর আগে প্রিসেল বা IDO-র মাধ্যমে।
এক্সচেঞ্জ লিস্টিং (Exchange listing)
এক্সচেঞ্জ লিস্টিং মানে কোনো সেন্ট্রালাইজড এক্সচেঞ্জে টোকেন ট্রেডিংয়ে যুক্ত হওয়া, যা নতুন ক্রেতা, নতুন ট্রেডিং পেয়ার ও সাধারণত গভীর লিকুইডিটি আনে।
স্টেলথ লঞ্চ (Stealth launch)
আগাম ঘোষণা বা presale ছাড়াই DEX-এ টোকেন চালু করাকে স্টেলথ লঞ্চ বলে। আগে থেকে কেউ সঠিক সময় বা কন্ট্র্যাক্টের ঠিকানা জানে না।
ডিফ্লেশনারি টোকেন (Deflationary token)
ডিফ্লেশনারি টোকেনের সাপ্লাই সময়ের সঙ্গে কমে, সাধারণত প্রতি লেনদেনে কিছু টোকেন বার্ন করে বা নিয়মিত buyback-এর মাধ্যমে।
রিফ্লেকশন টোকেন (Reflection token)
রিফ্লেকশন টোকেন প্রতি লেনদেনে ফি কাটে এবং তার একটি অংশ সব হোল্ডারকে তাদের ব্যালান্সের অনুপাতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিতরণ করে।
NFT
NFT (non-fungible token) হলো একটি অনন্য ব্লকচেইন টোকেন, যা শিল্পকর্ম, সংগ্রহযোগ্য বস্তু বা ইন-গেম অ্যাসেটের মতো নির্দিষ্ট কিছুর মালিকানা বোঝায়।
GameFi
GameFi ব্লকচেইন গেম ও DeFi-কে মেলায়; খেলোয়াড়রা গেমের আইটেম টোকেন বা NFT হিসেবে নিজের মালিকানায় রাখে ও ক্রিপ্টো রিওয়ার্ড আয় করে।
মেটাভার্স (Metaverse)
ক্রিপ্টোতে মেটাভার্স মানে শেয়ার্ড ভার্চুয়াল জগৎ, যেখানে ল্যান্ড, অবতার ও আইটেম টোকেন বা NFT হিসেবে মালিকানায় থাকে এবং অন-চেইনে ট্রেড করা যায়।
Play-to-earn (P2E)
Play-to-earn (P2E) হলো ব্লকচেইন গেমের এমন মডেল, যেখানে খেলে, জিতে বা টাস্ক সম্পন্ন করে খেলোয়াড়রা বাজারমূল্যসহ টোকেন বা NFT আয় করে।
Real-world assets (RWA)
Real-world assets (RWA) হলো এমন টোকেন, যা সরকারি বন্ড, রিয়েল এস্টেট, সোনা বা প্রাইভেট ক্রেডিটের মতো অফ-চেইন সম্পদকে ব্লকচেইনে উপস্থাপন করে।

ব্লকচেইন প্রযুক্তি

Proof of Work
Proof of Work-এ মাইনাররা কম্পিউটিং শক্তি খরচ করে ধাঁধা সমাধানের মাধ্যমে ব্লক যোগ করেন, ফলে চেইনের ইতিহাস বদলানো ব্যয়বহুল হয়।
Proof of Stake
Proof of Stake-এ ভ্যালিডেটররা জামানত হিসেবে টোকেন লক করে ব্লক প্রস্তাব ও নিশ্চিত করেন; প্রতারণা করলে সেই টোকেনের কিছু অংশ হারাতে পারেন।
Layer 1
Layer 1 হলো Bitcoin, Ethereum বা Solana-র মতো মূল ব্লকচেইন, যা নিজস্ব কয়েন ব্যবহার করে নিজের লেনদেনের ক্রম নির্ধারণ, যাচাই ও চূড়ান্ত করে।
Layer 2
Layer 2 হলো মূল ব্লকচেইনের ওপর তৈরি নেটওয়ার্ক, যা কম ফিতে মূল চেইনের বাইরে লেনদেন প্রক্রিয়া করে সেখানেই চূড়ান্ত নিষ্পত্তি করে।
রোলআপ (Rollup)
রোলআপ হলো এমন Layer 2, যা অফ-চেইনে ট্রানজ্যাকশন চালিয়ে তার ডেটা ও প্রুফ বেস চেইনে পোস্ট করে এবং সেটির নিরাপত্তার অনেকটাই পায়।
EVM
EVM বা Ethereum Virtual Machine হলো সেই রানটাইম, যা Ethereum এবং BNB Chain ও Base-এর মতো সামঞ্জস্যপূর্ণ চেইনে স্মার্ট কন্ট্রাক্ট চালায়।
ERC-20
ERC-20 হলো Ethereum ও EVM চেইনের ফাঞ্জিবল টোকেনের স্ট্যান্ডার্ড ফাংশন-সেট, যাতে ওয়ালেট, এক্সচেঞ্জ ও DEX সহজে টোকেন সাপোর্ট করতে পারে।
BEP-20
BEP-20 হলো BNB Smart Chain-এর টোকেন স্ট্যান্ডার্ড, প্রায় ERC-20-এর মতোই, তবে ফি ETH-এর বদলে BNB-তে দিতে হয়।
SPL টোকেন (SPL token)
SPL টোকেন হলো Solana-র শেয়ার করা SPL Token Program দিয়ে তৈরি টোকেন। প্রতিটি হোল্ডারের ব্যালান্স আলাদা টোকেন অ্যাকাউন্টে থাকে।
কনসেনসাস মেকানিজম (Consensus mechanism)
কনসেনসাস মেকানিজম হলো সেই নিয়ম, যার মাধ্যমে ব্লকচেইনের নোডগুলো কেন্দ্রীয় পক্ষ ছাড়াই লেনদেনের বৈধতা ও ক্রম নিয়ে একমত হয়।
ভ্যালিডেটর (Validator)
ভ্যালিডেটর হলো proof-of-stake ব্লকচেইনের নোড অপারেটর, যে কয়েন stake করে ব্লক প্রস্তাব ও ভোট দেয়, পুরস্কার পায় এবং শাস্তির ঝুঁকি নেয়।
হালভিং (Halving)
হালভিং হলো নির্ধারিত সময়ে মাইনারদের প্রতি ব্লকে পাওয়া নতুন কয়েন অর্ধেক করা। Bitcoin-এ এটি প্রতি ২১০,০০০ ব্লক পর ঘটে।
হার্ড ফর্ক (Hard fork)
হার্ড ফর্ক হলো ব্লকচেইনের এমন নিয়ম পরিবর্তন, যা পুরোনো সফটওয়্যার মানে না; তাই সব নোডকে আপগ্রেড করতে হয়, নইলে তা আলাদা চেইন অনুসরণ করে।
নোড (Node)
নোড হলো ব্লকচেইন সফটওয়্যার চালানো কম্পিউটার, যা লেজার সংরক্ষণ করে, নিয়ম অনুযায়ী ট্রানজ্যাকশন ও ব্লক যাচাই করে এবং পিয়ারদের কাছে পাঠায়।
মেমপুল (Mempool)
মেমপুল হলো অপেক্ষার জায়গা, যেখানে বৈধ কিন্তু অনিশ্চিত ট্রানজ্যাকশনগুলো থাকে, যতক্ষণ না মাইনার বা ভ্যালিডেটর সেগুলো ব্লকে ঢোকায়।

এটি শিক্ষামূলক কনটেন্ট, বিনিয়োগ পরামর্শ নয়। ক্রিপ্টো-অ্যাসেট অত্যন্ত অস্থির: আপনার বিনিয়োগ করা সমস্ত অর্থ হারাতে পারেন।

ক্রিপ্টো-সম্পদ অস্থির ও উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ: আপনি আপনার সব টাকা হারাতে পারেন। Coinvote একটি তথ্য ও কমিউনিটি প্ল্যাটফর্ম, বিনিয়োগ পরামর্শ নয়। র‍্যাঙ্কিং ভোট প্রতিফলিত করে, আর প্রমোটেড লিস্টিং হলো পেইড বিজ্ঞাপন। দিনির্বাহিতা ছদ্মবেশ ধারণ বা কনটেন্ট অপসারণ